New Age Islam
Sat May 25 2024, 09:52 AM

Bangla Section ( 5 Oct 2021, NewAgeIslam.Com)

Comment | Comment

If Not the UN Charter, Muslim Countries Should At Least Follow Their Own Primary Scripture, যদি জাতিসংঘের সনদ অনুসরণ করতে না পারে , মুসলিম দেশগুলোর অন্তত তাদের নিজস্ব প্রাথমিক ধর্মগ্রন্থ অনুসরণ করা উচিত

By Sultan Shahin, Founding Editor, New Age Islam

10 March 2017

UNHRC, জেনেভা, সাধারণ বিতর্ক, March মার্চ ২০১৭

আইটেম 3. উন্নয়নের অধিকার সহ সকল মানবাধিকার, নাগরিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকারের প্রচার ও সুরক্ষা।

এশিয়ান-ইউরেশিয়ান হিউম্যান রাইটস ফোরাম পক্ষ থেকে সুলতান শাহিন, প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, নিউ এজ ইসলাম-এর  মৌখিক বক্তব্য

 9 March 2017

 জনাব প্রেসিডেন্ট,

চিন্তা ও ধর্মের স্বাধীনতার অধিকার জাতিসংঘ গঠনের পর থেকে বিশ্বের কাছে বিশ্বাসের একটি আর্টিকেল । এটিকে বাস্তবে পরিণত করার জন্য অনেক প্রচেষ্টা করা হয়েছে, সর্বশেষ হচ্ছে রেজোলিউশন ১৬/১৮ যা ২০১১ সালে গৃহীত হয়েছিল। এর ভিত্তি  যেহেতু ইসলামী ও পশ্চিমা জাতির ঐকমত্যের উপর তাই মুসলিম দেশে সংখ্যালঘুদের মধ্যে বিশেষ করে আশা জাগিয়ে তুলেছিল। অনুমান ছিল যে এখন সদস্য দেশগুলি ব্লাসফেমি এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক, সাম্প্রদায়িক এবং সংখ্যালঘু বিরোধী আইন বাতিল করবে।

কিন্তু অনেক কিছু পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে হয় না। ইন্দোনেশিয়ার মতো একটি মধ্যপন্থী মুসলিম দেশ কুরআন উদ্ধৃত করার জন্য একজন খ্রিস্টান গভর্নরের বিরুদ্ধে মামলা করে। আরেকটি দেশ মালয়েশিয়া ইশ্বরকে বোঝাতে আল্লাহ শব্দটি ব্যবহারের  উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে। মাদ্রাসাগুলি পশ্চিমা সহ সারা বিশ্বে জেনোফোবিয়া এবং অসহিষ্ণুতা শেখায়।

পাকিস্তানে ব্লাসফেমি আইন বিধিবদ্ধ বইগুলিতে রয়েছে। পাঞ্জাবের উদারপন্থী গভর্নর সালমান তাসিরকে  খুন করা হয়েছিল কারণ তিনি ভুলভাবে ব্লাসফেমির অভিযোগে অভিযুক্ত এক খ্রিস্টান মহিলার প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছিলেন এবং ব্লাসফেমি আইন বাতিলের দাবি করেছিলেন। এই আইনের ভিত্তিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্বিচারে ব্লাসফেমির অভিযোগে অভিযুক্ত করা যেতে পারে এবংএকটি মোবলিংচিং  দ্বারা অথবা বিচার বিভাগ দ্বারা হত্যা করা হতে পারে। কোন প্রমাণের প্রয়োজন নেই, কারণ এটি অভিযোগকারীদেরকে আবার নবীকে নিন্দা করতে উৎসাহিত করার মতো । একইভাবে, সংখ্যালঘু হিন্দু, খ্রিস্টান, শিয়া এবং আহমদীদের উপর বিভিন্ন আইনের অধীনে হামলা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানি আইন আহমদীদের নিজেদের মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিতে নিষেধ করে।

এখন সময় এসেছে কাউন্সিল কিছু উপায় খুঁজে বের করেছে যাতে  যেসব দেশ এই  চুক্তিতে সম্মত তারা তা অনুশীলন করে।

এই ধরনের সংখ্যালঘু বিরোধী আইন কেবল জাতিসংঘের প্রস্তাবই লঙ্ঘন করে না, বরং ইসলামের প্রাথমিক ধর্মগ্রন্থ  লঙ্ঘন করে । পবিত্র কুরআন নিন্দার জন্য কোন শাস্তির বিধান করে না। কিংবা কাউকে কাফির ঘোষণা করার অনুমতি দেয় না। এতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: লা ইকরাহা ফিদ দ্বীন, (ধর্মে কোন জবরদস্তি হতে পারে না)। (অধ্যায় 2: আয়াত 256)

যদি তারা জাতিসংঘের সনদ কে অনুসরণ না করতে পারে তাহলে  মুসলিম দেশগুলোর অন্তত তাদের নিজস্ব ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কোরআন অনুসরণ করা উচিত।

ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অসহিষ্ণুতা, নেতিবাচক স্টেরিওটাইপিং এবং কলঙ্কিতকরণ এবং বৈষম্য, সহিংসতা এবং সহিংসতায় উস্কানি দেওয়ার বিরুদ্ধে মানবাধিকার কাউন্সিল কর্তৃক 16/18 রেজোলিউশন বিশেষভাবে গৃহীত হয়েছিল। এটি কাউন্সিলে ওআইসি এবং পশ্চিম ইউরোপীয় এবং অন্যান্য দেশগুলির   প্রতিনিধিদের  দুটি ব্লক দ্বারা একটি ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে  বিকশিত হয়েছিল। ২০০০ সাল থেকে, ওআইসি ধর্মের মানহানির নিন্দা জানিয়ে একটি প্রস্তাবের আহ্বান জানিয়ে আসছিল, অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলি এর বিরোধিতা করেছিল এবং মত প্রকাশের সম্পূর্ণ স্বাধীনতার আহ্বান জানিয়েছিল।

পাকিস্তানের ক্ষেত্রে,১৬/১৮   রেজোলিউশনের ফলে  কেবল ব্লাসফেমি আইন বাতিল করা নয় বরং আহমদীদের অমুসলিম ঘোষণা করার আইনও বাতিল করা  অন্তর্ভুক্ত হবে। একটি ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক সরকার, বিশেষ করে যেটি জাতিসংঘ সনদের স্বাক্ষরকারী এবং রেজোলিউশন 16/18 সহ অন্যান্য বিভিন্ন চুক্তি তে সাক্ষরকাররি , তার দ্বারা এই নির্ধারণ করার কোন কারণ নেই যে কোন ব্যক্তি  কোন ধর্মের সাথে জড়িত । এটি সম্পূর্ণভাবে ব্যক্তি বা সম্প্রদায়ের বিশেষাধিকার ।

প্রকৃতপক্ষে কোরআন অধ্যায় 49, আয়াত 14 তে, ইশ্বর মরু বাসি   যাযাবর  আরবদের কথা বলেছেন যারা মক্কায় মুসলিম বিজয়ের পর ইসলামী বিশ্বাস গ্রহণ করার দাবি করেছিল। তাদের বলা হয়েছিল যে ইমান এখনো তাদের  হৃদয়ে প্রবেশ করেনি, তবুও তারা তাদের  ভাল কাজের জন্য পুরস্কৃত হবেন।

এই মানুষগুলোকে কোনভাবেই ইসলাম চর্চা করা থেকে বিরত করা হয়নি, যদিও ইশ্বর নিজে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন যে বিশ্বাস এখনও তাদের হৃদয়ে প্রবেশ করেনি। কিন্তু পাকিস্তানে একটি   একটি সম্পূর্ণ বিশ্বাসী, অনুশীলনকারী মুসলমান সম্প্রদায় কে তাদের নিজস্ব ধর্ম বেছে নেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা  হচ্ছে, কেবল কিছু প্রান্তিক ধর্মতাত্ত্বিক পার্থক্যের কারণে।

কে মুসলিম এবং কে নয় তা নির্ধারণ করার ক্ষমতা  পাকিস্তান সরকার  কে কে দিয়েছে? এটা কি সরকারের কাজ? স্পষ্টতই ইক্যমত্য রেজল্যুশন 16/18 পাস করা এবং পাকিস্তান তাতে সম্মত হওয়ায় সত্ত্বে ও তার আচরণে  কোন পরিবর্তন দেখা যায় নি ।

একইভাবে, যে সাহিত্য ঘৃণা প্রচার করে তা পশ্চিমসহ বিশ্বের মুসলিম দেশগুলির মাদ্রাসা ও স্কুলে পড়ানো অব্যাহত রয়েছে। সৌদি সালাফি পাঠ্যপুস্তক বিশ্বজুড়ে মুসলিম ছাত্রদেরকে জেনোফোবিয়া শেখানো চালিয়ে যাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, তাদের বলা হয় যে, অন্য কোন বিকল্প থাকলে তাদের কোন অমুসলিমের জন্য কাজ করা বা নিয়োগ করা উচিত নয়। সৌদি পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী  অমুসলিম শব্দটির অর্থ হল অন্যান্য সম্প্রদায়ের মুসলমানসহ, সকল অ-সালাফি, অ-ওয়াহাবি, বিশেষ করে সুফিবাদমুখী মুসলমান। পাকিস্তানের সিন্ধুতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সুফি মাজারে হামলা, যাতে  প্রায় শতাধিক ভক্ত মারা যায় এবং 250 জন আহত হয় , এই ধরনের শিক্ষার একটি স্বাভাবিক ফলাফল।

যাইহোক, পুরো দোষটি সালাফি-ওয়াহাবি মতাদর্শের

English Article:   If Not the UN Charter, Muslim Countries Should At Least Follow Their Own Primary Scripture, the Holy Quran, Sultan Shahin Tells UNHRC at Geneva

URL:   https://www.newageislam.com/bangla-section/un-charter-muslim-scripture-/d/125512


New Age IslamIslam OnlineIslamic WebsiteAfrican Muslim NewsArab World NewsSouth Asia NewsIndian Muslim NewsWorld Muslim NewsWomen in IslamIslamic FeminismArab WomenWomen In ArabIslamophobia in AmericaMuslim Women in WestIslam Women and Feminism

Loading..

Loading..